এসব বিষয় খতিয়ে দেখতে বিএসইসি ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) কর্মকর্তাদের নিয়ে কমিটি করার সিদ্ধান্তও নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
এর আগে, আজ রোববার সকাল ১০টায় নির্ধারিত সময়ে লেনদেন শুরু করতে পারেনি ডিএসই।
পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের জন্য বিদায়ী বছর তেমন কোনো লাভের মুখ দেখাতে পারেনি। দেশের শেয়ারবাজারের প্রধান সূচকগুলো ছিল নিম্নমুখী। প্রতিদিনের লেনদেনেও তেমন কোনো প্রবৃদ্ধি ছিল না। লাভ করার মতো কোনো...
লেনদেন হওয়া শেয়ারগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১২৯টির, কমেছে ১৫৪টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৮৭টির শেয়ার দর।
পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএফআইইউর নির্দেশনা অনুযায়ী এসব হিসাব জব্দের নির্দেশও দিয়েছে।
সুদের হার কমানোর আগে বছরের যেকোনো সময় পাঁচ বছরে ৫০ লাখ টাকার বেশি মূলধনী মুনাফা হলে করদাতাদের ৩০ শতাংশ হারে কর দিতে হতো।
অদ্ভুতভাবে, সেই গুঞ্জন ‘সঠিক’ প্রমাণিত হয়েছিল।
দেশে তিন রাষ্ট্রায়ত্ত ও তিন বেসরকারিসহ ছয় এনটিটিএন লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠান আছে।
‘বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ’র ব্যানারে মতিঝিলের ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পুরোনো ভবনের সামনে বিনিয়োগকারীরা এই বিক্ষোভ করছেন।
অদ্ভুতভাবে, সেই গুঞ্জন ‘সঠিক’ প্রমাণিত হয়েছিল।
দেশে তিন রাষ্ট্রায়ত্ত ও তিন বেসরকারিসহ ছয় এনটিটিএন লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠান আছে।
‘বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ’র ব্যানারে মতিঝিলের ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পুরোনো ভবনের সামনে বিনিয়োগকারীরা এই বিক্ষোভ করছেন।
বিদেশি বিনিয়োগকারীরা আশা করছেন, দেশে বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় হার স্থিতিশীল হবে এবং ফ্লোর প্রাইসসহ বাজারে হস্তক্ষেপ করা যায় এমন কোনো ব্যবস্থা পুনরায় আরোপ করা হবে না।
বিএসইসির চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ, কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মীর এরশাদ আলী ও সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তাদের বৈঠকের পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ১৪ কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তাদের তলব করেছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা
শেয়ার কারসাজি করা ব্যক্তিরা ছাড়া সাধারণ বিনিয়োগকারীরা পুঁজিবাজার থেকে হতাশা ছাড়া আর কিছুই পাননি। বিদেশি বিনিয়োগকারীসহ অনেকে পুঁজিবাজার ছেড়ে চলে গেছেন।
খায়রুল হোসেনের নেতৃত্বাধীন কমিশন ২০১১ ও ২০১২ সালে জোর করে শেয়ার বিক্রি বন্ধ করার চেষ্টা করেছিল। এর ফলে শেষ পর্যন্ত প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন।
দুঃখজনক বিষয় হলো—ব্যাংকসহ বেশ কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কারসাজিতে জড়িয়ে পড়ে।
এর আগে ২০০৮ সালে শেয়ারের দাম কারসাজির দায়ে এবি ব্যাংকের মার্চেন্ট ব্যাংকিং উইংকে ১০ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়।