কিয়েভে পুনরায় ড্রোন হামলায় নিহত ১, আহত ৪

কিয়েভের সামরিক প্রশাসন জানিয়েছে, সর্বশেষ এই হামলায় শুধু ইরানে নির্মিত শাহেদ ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছ। সাম্প্রতিক অন্যান্য হামলার মতো আজ কোনো ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়নি।
মঙ্গলবার ৩০ মে কিয়েভে রুশ ড্রোন হামলার সময় এই ভবনটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ছবি: রয়টার্স
মঙ্গলবার ৩০ মে কিয়েভে রুশ ড্রোন হামলার সময় এই ভবনটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ছবি: রয়টার্স

সারা মে মাস জুড়ে আকাশ পথে কিয়েভের ওপর হামলা চালাচ্ছে রাশিয়া। এ মাসে এরকম ১৭তম হামলার বিপরীতে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, তারা ২০টিরও বেশি রুশ ড্রোন ভূপাতিত করেছে।

আজ মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানা গেছে, ভোরবেলা থেকে কিয়েভে রাশিয়ার নতুন এই ড্রোন হামলা শুরু হয়েছে।

কিয়েভের সামরিক প্রশাসন জানিয়েছে, সর্বশেষ এই হামলায় শুধু ইরানে নির্মিত শাহেদ ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছ। সাম্প্রতিক অন্যান্য হামলার মতো আজ কোনো ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়নি।

কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিৎশকো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টেলিগ্রামে বলেন, 'একটি বড় আকারের হামলা(শুরু হয়েছে)! কেউ ভূগর্ভস্থ আশ্রয় ছেড়ে যাবেন না।'

ইউক্রেনের কর্মকর্তারা জানান, রুশ ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ একটি বহুতল ভবনের ওপর এসে পড়লে সেখানে আগুন ধরে যায়। এই আগুনে ১ জন নিহত ও ৪ জন আহত হন।

কিয়েভের সামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তারা টেলিগ্রামে জানান, ভবনের ওপরের ২টি তলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে মানুষ চাপা পড়ে থাকতে পারে।

এ হামলার বিষয়ে কিয়েভের সামরিক প্রশাসনের প্রধান সের্হেই পোপকো বলেন, 'আক্রমণটি অনেক বড় আকারের ছিল এবং এটি বিভিন্ন দিক থেকে, বেশ কয়েক ধাপে এসেছে।'

ধ্বংস করা ড্রোনের ভাঙা অংশ রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় পড়েছে, যার মধ্যে আছে পোদিল ও পেচেরস্কি মহল্লা। মস্কো ঠিক কতগুলো ড্রোন পাঠিয়েছিল, সে বিষয়টি জানা যায়নি।

মঙ্গলবারের হামলা ছিল মে মাসে কিয়েভের বিরুদ্ধে আকাশ পথে রাশিয়ার ১৭তম হামলা। সোমবার ২ বার হামলার শিকার হয় ইউক্রেনের রাজধানী, যার মধ্যে ছিল স্বভাববিরুদ্ধ দিনের বেলার হামলা।

Comments

The Daily Star  | English

BCL men attack quota protesters at DMCH emergency dept

The ruling Bangladesh Chhatra League activists attacked the protesting anti-quota students entering the emergency department of Dhaka Medical College Hospital who gathered there for treatment after being beaten up by the ruling party men at earlier clashes

26m ago