জাতীয় স্লোগান ‘জয় বাংলা’ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

জাতীয় স্লোগান হিসেবে ‘জয় বাংলা’র অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সরকারি সকল অনুষ্ঠানে এই স্লোগান ব্যবহার বাধ্যতামূলক করে আইন করা হচ্ছে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় স্লোগান হিসেবে 'জয় বাংলা'র অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সরকারি সকল অনুষ্ঠানে এই স্লোগান ব্যবহার বাধ্যতামূলক করে আইন করা হচ্ছে।

আজ রোববার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, 'জয় বাংলা'কে জাতীয় স্লোগান করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর জন্য কেবিনেট থেকে নোটিফিকেশন করা হবে। সকল সাংবিধানিক পদ, সরকারি-বেসরকারি অফিসে কর্মরতদের বক্তব্যে জয় বাংলা স্লোগান দিতে হবে। সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অ্যাসেম্বলি, সভা-সেমিনার বা যে কোনো ধরনের সমাবেশে জয় বাংলা স্লোগান ব্যবহার করতে হবে।

করোনা মহামারির কারণে চলমান বিধি-নিষেধের বিষয়ে তিনি বলেন, ২২ ফেব্রুয়ারির পর এই বিধি-নিষেধ আর বাড়ানো হবে না।

এ ছাড়া, আরও বেশ কয়েকটি আইন সংশোধন ও বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়েছে মন্ত্রিসভায়।

ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান আমানত সুরক্ষা আইন

ব্যাংক আমানত বিমা আইন সংশোধন করে এই আইনের আওতায় ব্যাংকের পাশাপাশি সব লিজিং প্রতিষ্ঠান এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যারা এফডিআর বা ডিপিএস পদ্ধতিতে অর্থ জমা নিয়ে লভ্যাংশ প্রদান করে, তাদেরকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান আমানত সুরক্ষা আইনের আওতায় প্রতিটি আর্থিক লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠানের পেইড আপ ক্যাপিটালের বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারিত একটি অংশ জমা রাখতে হবে। যদি ওই প্রতিষ্ঠান দেউলিয়া হয়ে যায় বা পরিচালনা করা সম্ভব না হয়ে সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা থাকা এই ফান্ড থেকে গ্রাহকরা সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পর্যন্ত পাবেন।

ন্যাশনাল ব্রডকাস্টিং অথরিটি অর্ডিন্যান্স

১৯৮৬ সালের ন্যাশনাল ব্রডকাস্টিং অথরিটি অর্ডিন্যান্স সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করে দেন। ২০০১ সালে পুনরায় বাংলাদেশে টেলিভিশনের জন্য আইন পাস হলেও তার নোটিফিকেশন হয়নি।

তবে, এই আইনটির প্রয়োজন নেই বলে তা বাতিল করা হয়েছে।

হাসপাতালের ব্যয় হ্রাসে এনজিওর কাছে হস্তান্তর

কয়েকটি সরকারি হাসপাতালের ব্যয় হ্রাসে তা এনজিওর কাছে হস্তান্তরের প্রস্তাব বাতিল করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ও ফ্রান্স সিভিল এভিয়েশনের মধ্যে চুক্তি

এই চুক্তির আওতায় থাকবে এয়ার নেভিগেশন, বেসামরিক বিমান উড্ডয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ, পরিকল্পনা, বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনা, উড়োজাহাজের নভোযোগ্যতা নিশ্চিতকরণ, বেসামরিক বিমানের সুরক্ষিত ব্যবস্থাপনা মনিটরিং, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা অডিট, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কারিগরি জ্ঞান বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ, নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, কয়েকটি দপ্তর, অধিদপ্তর ও পদবিতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে।

Comments

The Daily Star  | English

How Lucky got so lucky!

Laila Kaniz Lucky is the upazila parishad chairman of Narsingdi’s Raipura and a retired teacher of a government college.

3h ago